জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ২০২২ | অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির নিয়ম | সম্পুর্ণ ভর্তি প্রক্রিয়া 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি (২০২১-২০২২) প্রক্রিয়া, অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির নিয়ম সংক্রান্ত সম্পূর্ন প্রসেস নিয়ে বিস্তারত তথ্য। ভর্তি নোটিশ, যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ভর্তি হতে কত টাকা লাগবে সম্পূর্ণ তথ্য রয়েছে একটি আর্টিকেলেই। 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি নোটিশ

National University বা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রমের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২২ মে ২০২২ থেকে ০৯ জুন ২০২২ তারিখ পর্যন্ত অনলাইন প্রাথমিক আবেদন গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান এর সভাপতিত্বে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরিচালনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রার্থীদের প্রাথমিক আবেদন ফরম ১১ জুন ২০২২ তারিখের মধ্যে আবেদনকৃত কলেজে জমা দেয়ার এবং ১২ জুন ২০২২ তারিখের মধ্যে এ সকল আবেদন সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক নিশ্চয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উল্লিখিত শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাস ০৩ জুলাই ২০২২ তারিখ থেকে শুরু হবে। 

২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ভর্তি কার্যক্রমের অনলাইন আবেদন গ্রহণের তারিখ পরে জানানো হবে। উল্লেখ্য, ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল ভর্তি কার্যক্রমের বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি ও ভর্তি নির্দেশিকা যথাসময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd/admissions) প্রকাশ হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি যোগ্যতা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য কোন প্রকার পরীক্ষা দিতে হয় না যার কারণে এ ভর্তি হতে পারবে তা নির্ধারণ করা হয় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের উপর কেন্দ্র করে এ ক্ষেত্রে জিপিএ ভিত্তিক রেজাল্ট এর উপর নির্ভর করা হয়। তাই কোন বিভাগের জন্য কত জিপিএ ভর্তি যোগ্যতা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে সে সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হল: 

১. সাধারন বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য 

মানবিক শাখা – ২০১৮/২০১৯ – ssc – 2.50

মানবিক শাখা – ২০২০/২০২১ – Hsc – 2.50

 

বিজ্ঞান শাখা – ২০১৮/২০১৯ – ssc – 3.00

বিজ্ঞান শাখা – ২০২০/২০২১ – Hsc – 2.50

 

ব্যবসা শাখা – ২০১৮/২০১৯ – ssc – 3.00

ব্যবসা শাখা – ২০২০/২০২১ – Hsc – 2.50

২. তাছাড়া আরও একটি কন্ডিশন যুক্ত করা হয়েছে যে, এইচএসসিতে পঠিত বিষয় করে তারাই ভর্তিযোগ্য বিষয় নির্ধারণ করা হবে এ ক্ষেত্রে উক্ত বিষয়ে মোট 200 নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম গ্রেড 3.00 থাকতে হবে। 

৩. কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে এদিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হতে ইচ্ছুক হয়, এবং সে যদি 

  • এইচএসসি ভোকেশনাল 
  • HSC বিজনেস ম্যানেজমেন্ট 
  • এইচএসসি ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স 

কোর্স থেকে উত্তীর্ণ হয়ে থাকে তাহলে তার ক্ষেত্রেও ২০১৮/২০১৯ – ssc – 3.00 এবং ২০২০/২০২১ – Hsc – 2.50 জিপিএ থাকতে হবে। 

৪. বিদেশি অথবা ইংরেজি মিডিয়াম এর পুরো শিক্ষার্থী যদি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স প্রোগ্রামে ভর্তি হতে চায় তাহলে তার ক্ষেত্রে যে যোগ্যতা প্রয়োজন তা হলো :

২০১৮/২০১৯ – O Level পরীক্ষায় ৩ টি বিষয়ে B গ্রেড এবং ৪ টি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। 

২০২০/২০২১ – A Level পরীক্ষায় ১ টি বিষয়ে B গ্রেড সহ দুইটি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য কি কি প্রয়োজন

প্রাথমিক আবেদনে যা প্রয়োজন:

  • এসএসসি ও এইচএসসি এর রেজিস্ট্রেশন নাম্বার
  • এসএসসি ও এইচএসসি এর রোল নাম্বার
  • সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • একটি মোবাইল নাম্বার ও ইমেইল এড্রেস

আবেদন ফরমের সাথে যা দিতে হবে:

  • এসএসসি ও এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ফটোকপি
  • এসএসসি ও এইচএসসি এডমিট কার্ডের ফটোকপি
  • প্রাথমিক আবেদন ফরম ও নির্দিষ্ট পরিমাণে আবেদনের টাকা (২৫০) 

চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রমে যা দিতে হবে: 

  • এসএসসি ও এইচএসসি এর রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ফটোকপি
  • এসএসসি এর মূল মার্কসিটের সত্যায়িত ফটোকপি
  • এইচএসসি এর মূল সত্যায়িত মার্কশিট বা নাম্বার পত্র
  • চূড়ান্ত আবেদন পত্রের কলেজ কপি
  • দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি
  • কলেজ ভিত্তিক ভর্তির টাকা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির নিয়ম

খুব সহজ ও অল্প কথার মধ্যেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির নিয়ম বা প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করব। খুবই প্রাথমিকভাবে দেখতে গেলে ভর্তির সম্পূর্ণ কার্যক্রম শেষ হয় নেই পাঁচটি প্রসেস এর মাধ্যমে। পর্যায় ক্রমে প্রথমেই সেই প্রসেস টি সম্পর্কে বলছি।

১. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র একত্রীকরণ

সর্বপ্রথম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হতে আবেদনের জন্য যে সকল জিনিস লাগবে বাজে সকল কাগজপত্র প্রয়োজন হবে বাজে সব ইনফরমেশন দরকার সেগুলো কালেক্ট করে নিন কোন পর্যায়ে কিরূপ কাগজপত্র প্রয়োজন হবে সেটা উপরের হেডিংয়ে ইতিমধ্যে বলা হয়েছে

২. প্রাথমিক ভর্তি আবেদন করা

এরপর আপনাকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের স্পেসিফিক পেইজ থেকে বা এডমিশনের পেইজ থেকে প্রাথমিক অনলাইন আবেদনটি করে ফেলতে হবে। অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন কিভাবে করবেন সে সম্পর্কে পরবর্তী হেডিং এর বিস্তারিত তথ্য দেওয়া আছে। তাছাড়া স্ক্রীনশর্ট সহ এটুজেড সম্পূর্ণ প্রসেস টি সম্পর্কে দেখতে ও জানতে এখানে ক্লিক করুন। 

৩. আবেদন ফরম কলেজে জমা দেয়া

আবেদন সম্পন্ন করার পরে আবেদন ফরম টি নিয়ে আপনার ভর্তিচ্ছুক কলেজে গিয়ে সেটি জমা দিয়ে আসতে হবে পাশাপাশি আবেদন ফরমের সাথে কি কি ডকুমেন্টস তাদেরকে দিতে হবে সেটাও উপরের হেডিং এ বলা আছে। বলে রাখা ভাল এক্ষেত্রে প্রাথমিক আবেদন ফি 250 টাকা যা আপনাকে কলেজে গিয়ে আবেদন ফরমের সাথে দিতে হবে। 

সকল কিছু কলেজে জমা দেওয়ার পরে আপনার প্রোভাইড করা নাম্বারে একটি এসএমএস আসবে কলেজ এর পক্ষ থেকে যেখানে উল্লেখ থাকবে আপনার আবেদনটি সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করা হয়েছে যদি কোনভাবে সেই এসএমএসটি আপনি না পেয়ে থাকেন তাহলে সশরীরে কলেজে গিয়ে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি জানতে। তাহলে আপনার সমস্যাটি সমাধানের জন্য তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

৪. মেরিট বা রেজাল্টের জন্য অপেক্ষা

নির্দিষ্ট সময় কখন আপনার আবেদনের ওপর ভিত্তি করে প্রথম মেরিট লিস্ট প্রকাশ করা হবে যেখানে আপনি প্রথমবারেই আপনার কাঙ্খিত কলেজের সিলেক্ট হয়েছেন নাকি সে সম্পর্কে জানানো হবে। 

যদি আপনি সিলেট না হন তাহলে পুনরায় দ্বিতীয় মেরিট এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে উল্লেখ্য যে দ্বিতীয় মিনিটের জন্য আপনি সর্বনিম্ন পাঁচটি থেকে সর্বোচ্চ 10 টি কলেজ নির্ধারণ করতে পারবেন। যেখানে আপনি প্রথম মেরিট এর জন্য কলেজ সিলেক্ট করতে পেরেছিলেন মাত্র একটি। 

আর যদি আপনি প্রথমবারেই কলেজ পেয়ে যান, আর বিষয়টি যদি আপনার পছন্দ না হয় তাহলে মাইগ্রেশন অন রাখতে পারবেন। জানুন মাইগ্রেশন কি কেন ও কিভাবে করবেন

৫. চূড়ান্ত আবেদন ও ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা

উপরের কোন ঘটনা যদি না ঘটে থাকে আপনি যদি প্রথম মেরিট এই কলেজ পেয়ে যান এবং প্রথম বারেই আপনার পছন্দের বিষয়টি জন্য সিলেক্ট হয় তাহলে চূড়ান্ত আবেদনের জন্য লাগাতে পারবেন। জানুন চূড়ান্ত আবেদন কিভাবে করতে হয় সে সম্পর্কে। 

চূড়ান্ত আবেদনের পরে চূড়ান্ত আবেদনের ফরম সহ ভর্তির প্রসেসর এর জন্য সিলেট হওয়া কলেজে উপস্থিত হতে হবে এই পূজায় কি কি কাগজপত্র লাগবে সেটা উপরের হেডিং এ বলা হয়েছে। পরবর্তীতে কলেজ ভিত্তিক ভর্তি প্রসেস সম্পন্ন করার মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ এ ভর্তি হতে পারবেন। 

 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি আবেদন ২০২২

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির আবেদনের জন্য আপনাকে কোথাও যেতে হবে না অনলাইনে ঘরে বসেই সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে। তোমাকে যদি আপনার মনে সংশয় থেকে থাকে তবে বড় কারোর সাহায্যে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা উচিত। 

তবে এখানে চেষ্টা করব প্রক্রিয়াটি এমনভাবে উপস্থাপন করার যাতে করে আপনি একবার ভালোভাবে বললেই সকল বিষয়গুলো বুঝতে পারবেন এবং আপনি নিজেই আবেদনটি সম্পন্ন করতে পারবেন। 

প্রথম ধাপ : 

আশা করছি প্রাথমিক আবেদনের জন্য যে সকল ডকুমেন্ট এর কথা উপরের হেডিং এ বলেছিলাম সেগুলো যথাযথভাবে কালেক্ট করেছেন। আর না করে থাকলে সেগুলো সংগ্রহ করে পরবর্তী প্রসেসটি দেখুন।

দ্বিতীয় ধাপ : 

প্রথমেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর ওয়েবসাইট হতে অনার্স এর এডমিশন অপশনে গিয়ে আবেদন ফরম পুরন করতে হবে। ব্যবহারের সুবিধার্থে এখানে ক্লিক করে সরাসরি সেই পেজে যেতে পারেন৷ 

তৃতীয় ধাপ : 

এই পর্যায়ে আপনার এসএসসি ও এইচএসসি এর রোল, রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ও পাশের সন বসিয়ে নিম্মে থাকা Next বাটনে ক্লিক করবেন।

চতুর্থ ধাপ :

পরবর্তীতে আপনার নাম, পিতা মাতার নাম, রেজাল্ট, লিঙ্গ সহ যাবতীয় তথ্য দেখাবে। সব কিছু ঠিক আছে একই উপায়ে Next বাটনে ক্লিক করবেন। 

পঞ্চম ধাপ : 

এবার পেজের বাম দিকের কোনায় Eligible Subject নামক অপশনে আপনি যে সকল বিষয়ে অনার্স করতে পারবেন তা দেখাবে। পাশাপাশি আপনি যে এড়িয়ার কলেজে ভর্তি হতে চাচ্ছেন সেই লোকেশন চেক বক্স পূরনের মাধ্যমে সেই এড়িয়ায় থাকা সকল কলেজের নাম দেখতে পারবেন। যে কলেজে আপনি প্রাথমিক আবেদন করতে চাচ্ছেন সেই কলেজের নামে ক্লিক করলে, সেই কলেজে থাকা বিষয় গুলো আপনার সামনে উঠে আসবে।

এরপর আপনার পছন্দের ক্রম অনুযায়ী যে সাবজেক্ট টি বেশি পছন্দ সেটা প্রথম দিয়ে এক এক করে আপনার সাবজেক্ট চয়েস বসাতে পারবেন। প্রথমে যে সাবজেক্ট পেতে চান আগে সেটা ক্লিক করুন, তার পর যেটা চয়েসে রাখতে চান এবার সেটায় ক্লিক করুন, এভাবে পছন্দের ক্রম অনুযায়ী সাবজেক্ট চয়েস দিতে পারেন। আপনি চাইলে লিস্টে থাকা সকল সাবজেক্টই চয়েস হিসেবে দিতে পারেন। তবে রেকোমেন্ড করবো যে বিষয় আপনি পড়তে একেবারেই ইচ্ছুক নয় সেই বিষয় চয়েস লিস্টে রাখবেন না। কলেজ ও সাবজেক্ট চয়েসের শেষে পূনরায় Next বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী প্রসেসে যাবেন। 

ষষ্ঠ ধাপ : 

এই পর্যায়ে থাকছে কোটা আপশন। আপনার যদি কোনো কোটা থাকে তাহলে Yes এবং না থাকলে No অপশনে ক্লিক করুন। যদি কোটাতে ইয়েস বাটনে ক্লিক করেন তাহলে ভর্তি প্রসেসে কোটার কাগজপত্রের প্রয়োজন হবে। তারপর আবার Next বাটনে ক্লিক করুন। 

সপ্তম ধাপ : 

প্রাথমিক আবেদনের শেষ ধাপ এটি এই পর্যায়ে আপনাকে আপনার মোবাইল নাম্বার, ইমেইল এড্রেস এবং একটি ছবি সাবমিট করতে হবে। ছবির ক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন ছবিটি যেনো 150 পিক্সেল উচ্চতা এবং 120 পিক্সেল প্রস্থ হয় এবং অবশ্যই পুরো ছবিটি 50kb এর মধ্যে হতে হবে। 

তারপর Preview application অপশনে ক্লিক করে পুরো আবেদন ফরম টি আরেকবার দেখে নি সঠিক আছে কিনা। যদি কিছু ভুল থাকে তাহলে Previous অপশনে ক্লিক করে সেটি সংশোধন করতে পারেন। অতঃপর সকল তথ্য ঠিকভাবে দেওয়া হয়ে গেলে সাবমিট বাটনে ক্লিক করার মাধ্যমে প্রাথমিক আবেদন সম্পন্ন হবে। 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে কত টাকা লাগে 

এই প্রশ্নের জবাবে দুইটা বিষয় সামনে চলে আসবে প্রথমত আপনি কি সরকারি কলেজে ভর্তি হতে যাচ্ছেন নাকি কোন বেসরকারি কলেজে কারণ কলেজ ভিত্তিক ভেরিয়েন্ট এর কারণে ভর্তির টাকা উঠানামা করে। 

সাধারণত সরকারি যে সকল কলেজগুলো রয়েছে, সেখানে ভর্তি হতে 3 থেকে 6 হাজার টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে। অন্যদিকে যে বেসরকারি কলেজগুলোর রয়েছে সেখানে 8 থেকে 10 হাজার আবার কোন কোন ক্ষেত্রে 15 হাজার পর্যন্ত লাগতে পারে। 

এটি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে কলেজের কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের উপর। তবে চূড়ান্ত আবেদনের ক্ষেত্রে 480 টাকা নির্ধারণ করা হয়ে থাকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে। বাদবাকি যে টাকাগুলো নিবে সেটা কলেজের একান্ত ব্যক্তিগত ইচ্ছা মোতাবেক। 

তাছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যে প্রফেশনাল বিবিএ আছে সেখানে ভর্তি হতে 20 হাজার টাকা অব্দি প্রয়োজন হতে পারে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যেতে হবে কারণ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কোন প্রকার প্রফেশনাল ডিগ্রী এর ব্যবস্থা নেই। 

 

Leave a Comment