কাজে প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধির ১০ টি উপায় | উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর সহজ কৌশল

প্রোডাক্টিভিটি সেই পদ্ধতি যা অনুসরণের মাধ্যমে যে কেউ হয়ে উঠে জিরো থেকে হিরো। তবে এখানে সিনেমার হিরোকে বোঝানো হয়নি, বাস্তব জীবনের হিরোকে বোঝানো হয়েছে৷ আভিধানিক অর্থতে productivity শব্দার্থ উৎপাদনশীলতা হলেও এটি কেবল মেশিনারি যন্ত্রের জন্য বা বরং প্রতিটি সেক্টরে এর ব্যবহার লক্ষ্যনীয়৷ কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চটা প্রকাশ করাতে ব্যবহৃত পদ্ধতিই হচ্ছে প্রোডাক্টিভিটি।

কেনো প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধির প্রয়োজন | Why should increase productivity

এই প্রশ্নের প্রেক্ষিতে বলতে হয় কেন বাড়াবেন না প্রডাক্টিভিটি? আপনি কি চাচ্ছেন না আপনার কাজের মধ্য দিয়ে সফলতা অর্জন করতে? আপনার কাজ আরো দ্রুতগতিতে করতে? আপনার কাজ করার সময় কম ও বেশী কাজ করতে? তাহলে কেন বাড়াবেন না!! আসলেই প্রডাক্টিভিটি বাড়ানোটা প্রত্যেকটা কর্মরত মানুষের জন্য প্রয়োজন কারণ যত প্রডাক্টিভিটি বাড়রে, একটা মানুষ ততই সফলতার দিকে অগ্রগতি লাভ করবে।

প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর ১০টি উপায় |10 way to increase productivity

 

আলোচনা করবো প্রডাক্টিভিটি নিয়ে। মূলত প্রোডাক্টিভিটি বানানোর উপায় সমূহ গুলো নিয়ে। ইতিমধ্যে অনেক রিসোর্স রয়েছে গুগলে যেখানে প্রকাশ করেছে প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানোর উপায়গুলো এবং তা গুগল সার্চের মাধ্যমে আপনি পেয়ে যাবেন তবে এই আর্টিকেল যেহেতু পড়ছেন সেহেতু আপনাকে হতাশ হতে হবে না৷

এই আর্টিকেলে বিষয়গুলো এমনভাবে উপস্থাপন করেছি যার মাধ্যমে বাংলাতে খুব সহজে যে কেউ প্রোডাক্টিভিটি সম্পর্কে খুঁটিনাটি জানতে পারে এবং নিজের  যেসব পদক্ষেপ গ্রহন করা দরকার সেগুলো নিজের মত এপ্লাই করতে পারে। এখানে বাছাইকৃত ১০ টি এমন কার্যকর পদ্ধতির সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি যা আপনার ব্যক্তিগত প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি করতে সহায়ক হবে। শুরু করা যাক.. 

মাল্টিটাস্কিং বন্ধ করুন | (Stop Multitasking)

 

মাল্টিটাস্কিং কি? একসাথে অনেকগুলো কাজ একসাথে করাই হলো মাল্টিটাস্কিং। যেহেতু মাল্টিটাস্কিংয়ে একাধিক কাজ একসাথে করা হয় তাই প্রত্যেকটি কাজ অর্ধসম্পুর্ন হয়ে থেকে। এতে ক্ষতি এই হয় যে, প্রচুর সময় চলে যায়। একাধিক কাজ করাতে ব্রেইন কোনোটিতেই ডীপ ভাবে ফোকাস করতে পারে না ফলে সকল কাজ গুলোর আউটপুট আশানুরূপ হয় না। আর ওভারল কাজে এটি প্রচন্ড নেগেটিভ প্রভাব ফেলে।

বিশেষ করে অনলাইন ভিত্তিক কাযে মাল্টিটাস্কিং বেশি করা হয়। কোন কাজ করা কালীন সময়ে নোটিফিকেশন মাল্টিটাস্কিং করাতে বড় একটি কারন। তাই যখন গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজ করার প্রয়োজন হয় তখন নোটিফিকেশন অফ রাখা শ্রেয়।

এক্ষেত্রে নোটিফিকেশন অফ রাখার জন্য এন্ড্রয়েড ভার্সন এর বেশকিছু মোবাইল অ্যাপ রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। নোটিফিকেশনকে ফোকাস যত কম থাকবে, মাল্টিটাস্কিং এর উপত প্রভাব তত কম হবে। আর যদি সম্ভব হয় মোবাইল বা যেকোনো ডিভাইস দূরে রেখে কাজে ফোকাস করাই শ্রেয়। 

প্রতি রাতে To-Do List তৈরি করুন

 

To-Do লিস্ট হলো প্রতিদিন করনীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজের লিপিবদ্ধকরন। এর মাধ্যমে কোন কাজটি কখন করতে হবে তা সরণে রাখা হয়। প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে এই কাজটি ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলে। করনীয় কাজ গুলোর উপর চোখ রাখলে সেই কাজ করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেয়া যায়। আর যদি না হয় এমন, তাহলে কাজটি এতটা গুরুত্ব পায় না।

আর To-Do List তৈরি করার  সর্বোত্তম সময় হলো রাতে ঘুমানোর আগে। তাহলে সকালে উঠে তাৎক্ষণিক প্রয়োজন বা করণীয় সকল কিছু দ্রুত করা যায়। কারন সারাদিনের প্রোডাক্টিভিটি কেমন হবে তা অধিকাংশই সকালটা কেমন হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে। তাই প্রতিরাতে ঘুমানের আগে প্রোডাক্টিভিটির এক্টিভিটিস গুলো লিপিবদ্ধ করাটা খুবই জরুরি৷

নিয়ম করে To-Do List কাটুন 

 

To-Do List তৈরি তো হলো, তবে শুধু তৈরি করে রেখে দিলে হবে না৷ নিয়ম করে সেগুলো ফলোও করতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমানোর আগ অব্দি যত গুরুত্বপূর্ণ কাজ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে তা যখন এক এক করে সম্পন্ন করে লিস্ট থেকে কাটা হয় তখন আমাদের সাব-কন্সিয়ান্স মাইন্ড এটাকে পজিটিভ ভাবে নেয়।

আর যখন মাইন্ড বিষয়টি পজিটিভলি নেয় তখন কাজ করার প্রতি ইচ্ছা আরো প্রবল হয় যার আউটপুট আশানুরূপ হয়েই থাকে। তাই কেবল লিস্ট তৈরি করে না রেখে সেগুলোর উপর আমল করতে হবে পাশাপাশি যেটা  সম্পন্ন হয়ে যায় সেটা লিস্ট থেকে কেটে দিতে হবে। 

এক্ষেত্রে এটি বেশি কার্যকর হবে যদি স্মার্টফোনে লিস্ট গুলো করা হয় কারন এটা সব সময় আমাদের সাথে থাকে। আর To-Do List চমৎকার ভাবে সাজাতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ যেগুলো নিয়ে আলোচনা রয়েছে To-Do List সম্পর্কিত আর্টিকেলটিতে।

কাজের সময় নির্ধারণ করুন | (Time management)

 

টাইম ম্যানেজমেন্ট এই ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। যেকোনো কাজের জন্য  নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা না থাকলে  কাজটি আউটপুট ভালো ফলাফল পাওয়া যায় না তাই টাইম ম্যানেজমেন্ট এর দিকে খেয়াল রাখতে হবে। একটি কাজ নিয়ে অধিক সময় পার  করার চেয়ে অল্প অল্প করে একাধিক কাজ করা অনেক শ্রেয়।

তাই যখন টু-ডু লিস্ট তৈরি করা হবে তখন কাজের সাথে সাথে সেই কাজ করার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ সময়টুকু উল্লেখ করে দেওয়া ভালো। যে কাজটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ সেইটিতে একটু বেশি সময় ধরে তুলনামূলকভাবে যেগুলো একটু কম গুরুত্বপূর্ণ সেগুলোতে সময় কম দিয়ে একাধিক কাজ দ্রুত করা যায়। তবে যতই গুরুত্বপূর্ণ কাজ হোক না কেন একটানা বেশিক্ষণ করা অবশ্যই ঠিক না সে ক্ষেত্রে আরেকটি নিয়ম আছে যা এক্ষেত্রে খুব কার্যকর৷ সেটিই নিম্নে দেওয়া হল। 

৯০ মিনিটের ব্যবধানে কাজ করুন | 

 

জি ঠিক শুনেছেন ৯০  মিনিটের ব্যবধানে কাজ করা। ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এই তথ্যটি খুঁজে পেয়েছে যে যারা গড়ে 90 মিনিট কাজ করে তাদের থেকে যারা গড়ে 90 মিনিটের বেশি কাজ করে তাদের প্রোডাক্টিভিটি কম। কারণ আমাদের মস্তিস্ক ৯০  মিনিট পর্যন্ত কোন কাজে ফোকাস ধরে রাখতে পারে।

এরপরে তার কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে তাই গবেষকদের মতে  অত্যন্ত টানা 90 মিনিট কাজ করার পর অবশ্যই অবশ্যই ব্রেক নিতে হবে৷ ব্রেক নেয়ার মধ্যেও একটি নিয়ম অনুসরণ করা যেতে পারে। সেটি পরের স্টেপে আলোচনা করলাম। 

কাজের মাঝে ব্রেক নিন | (pomodoro method)

 

হ্যা, কাজের মধ্যে ব্রেক নিতে হবেই। এর আগে স্টেপে বলেছিলাম 90 মিনিট একটানা কাজ করার কথা তবে সেই নব্বই মিনিটে কি টানা কাজ করে যাবেন? এর চেয়ে ভালো এই হয় যে, এর মাঝেও শর্ট ব্রেক নেয়া। আসলে ব্রেক নেয়ার বিষয়টা অদ্ভুত শোনালেও এটি প্রকৃতপক্ষে খুবই কার্যকর।

একটা পদ্ধতি আছে যার নাম হল পোমোডোরো পদ্ধতি (Pomodoro Method) এই পদ্ধতিতে প্রতি 25 মিনিট পরপর 5 মিনিটের জন্য শর্ট ব্রেক নেওয়া হয়। ঠিক 5 মিনিট পর আবার কাজে ফিরে যাওয়া হয়। এভাবে চারটা স্টেপ কমপ্লিট করে টোটাল 100 মিনিট কাজ করা যায় আর 20 মিনিট থাকে টোটাল শর্ট ব্রেকের জন্য।

এক্ষেত্রে করণীয় এইযে আপনি যে কাজটি সম্পন্ন করতে চান সেটিকে 4 ভাগে ভাগ করে স্টেপ বাই স্টেপ ধরে কমপ্লিট করতে পারেন। এখন কথা হলো এই ৫ মিনিটের শর্ট ব্রেকে কি করা যায়? সেটা আপনার চাহিদার উপর ভিত্তি করে তৈরি করতে পারেন। তবে কাজের মাঝে নিজেকে উৎফুল্ল রাখা জরুরি যা নিয়ে নিম্মের স্টেপে আলোচনা করা হবে। 

নিজের উৎফুল্ল রাখুন | (Reword Yourselfe)

 

নিজেকে উৎফুল্ল কিভাবে রাখবেন? এটা বুঝতে হলে প্রথমে আপনাকে বুঝতে হবে। আপনি কোন জিনিসটা ভাল থাকেন, আপনি কোন জিনিসটার মাধ্যমে নিজেকে ভালো রাখেন এটা আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি কার্যকর হবে নিজেকে উৎপন্ন রাখার ক্ষেত্রে।

কেউ গান শুনলে তার ভাল লাগে কেউ গেলে তার ভালো লাগে কেউ বা অন্য কোনো বিনোদনের মাধ্যমে তার ভালোলাগাটা খুঁজে নেয় তবে এক্ষেত্রে আমার মনে হয় সবচেয়ে এফেক্টিভ সেটা হবে যদি আপনি নিজেকে নিজে পুরস্কৃত করেন।

এটা কেমন বলছি তাহলে, আপনি একটি কাজ সম্পূর্ণ করতে চাচ্ছেন এখন সে ক্ষেত্রে আপনি Pomodoro পদ্ধতিতে কাজটাকে চার ভাগে ভাগ করলেন প্রত্যেক ভাগের পর পর 5 মিনিট করে ব্রেক নেয়ার সময় পাবেন অথবা এই সময়টাকে আপনি এভাবে গ্রহণ করতে পারেন যে আপনি যদি প্রত্যেকটা স্টেপ কমপ্লিট করার পর পর নিজেকে নিজে পুরস্কার প্রদান করবেন। তাহলে আপনি কাজটি করার জন্য আরেকটু উদ্দীপনা ও উৎসাহ পাবেন।

সাধারন একটা উদাহরণের মাধ্যমে বোঝাচ্ছি, ধরুন আপনি একটা পরিকল্পনা করলে যে, প্রথম স্টেপ কমপ্লিট করার পর আমি খেতে যাবো। দ্বিতীয় স্টেপ কমপ্লিট করার পর আমি গান শুনবো। তৃতীয় স্টেপ কমপ্লিট করার পর আমি একটু হাটাহাটি করব আর চতুর্থ স্টেপ কমপ্লিট করার পর মানে সম্পূর্ণ কাজটি কমপ্লিট করার পর নিজেকে নিজে একটা টি-শার্ট গিফট করবো এক্ষেত্রে দেখবেন কাজের প্রতি আপনার উৎসাহ আরো বেড়ে গেছে।

যদি এখনও এই প্রসেসটি না করে থাকেন তাহলে করে দেখতে পারেন। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ এই যে আপনি কাজের সময় পুরোটা ফোকাস নিজের কাজের উপরেই দিচ্ছেন৷ বুজলেন না? পরের স্টেপটি পড়ুন। 

কাজের সময় কাজই | (No social media)

 

এইরকম অনেকেই আছে যারা কোনো একটি কাজে সম্পূর্ণ রূপে ফোকাস করতে পারে না। এই যেমন কোন একটি কাজ করছে, এই সময় যদি ফোনে কোন নোটিফিকেশন চলে আসে তাহলে তাৎক্ষণিক কাজ রেখে নোটিফিকেশন চেক করতে যায়। আর তার ফলেই কাজের প্রতি যেই ফোকাসটা ছিল সেটা তখন আর বজায় থাকে না নোটিফিকেশনের ঘটনার উপরে চলে যায়। এরকম করলে অবশ্য অবশ্যই কাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে হয়।

আর কাজের সময় সবচেয়ে বেশি সোসাল মিডিয়ার নোটফিকেশন সমস্যা করে। তাই কাজ করার উদ্দীপনা পুরোদমে থাকলে অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে সোসাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকা। কাজের সময় কেবলই কাজ। এক্ষেতে অনেক এন্ড্রয়েড অ্যাপ রয়েছে যা নোটিফিকেশন অফ রাখতে সহায়তা করে। 

নিজের কাজের রিভিউ দিন | (Review Yourselfe)

 

নিজেই হয়ে উঠুন নিজের শিক্ষক। আপনি আপনার নিজের করা টু-ডু লিস্ট টা কে কিভাবে সম্পন্ন করেছেন কতটুকু সম্পন্ন করেছেন আর কিভাবে আরো উন্নতি করবেন সে সকল বিষয়ে দিনশেষে একবার হলে অবশ্যই ভাবুন। আপনি যদি সকল কাজ সম্পন্ন করে থাকেন তাহলে সে কাজ সম্পন্ন করার জন্য দিনশেষে আপনার মনে একটা পজিটিভ ইম্পেক্ট প্রকাশ পাবে।

আর যদি সম্পূর্ণটা করতে না পারেন তাহলে কোন কারনে, কীভাবে আরও ইমপ্রুভমেন্ট করবেন, কেন কাজটি হয়নি সে বিষয়ে আরেকবার ভাবুন। এর মাধ্যমে আগামী দিনের জন্য যে টু-ডু লিস্ট তৈরি করবেন সেই To-Do list সম্পন্ন করার জন্য আরও বেশি করে উত্তেজনা ও উৎসাহিত হবেন। তবে হ্যাঁ রিভিউ সেশনটা প্রতিদিন চালিয়ে যেতে হবে তা না হলে আপনি আজকের থেকে কালকে কোন ইমপ্রুভমেন্ট টা হয়েছে নাকি আরো ইম্প্রুভ করতে হবে সেই বিষয়ে তোমার ধারণাটা পাবেন না।

পর্যাপ্ত ঘুমের নিশ্চয়তা দিন |  Have a proper Sleep

 

এই বিষয়টা বলার মাধ্যমে  আজকের আলোচনার শেষ করব। আচ্ছা ঘুম কি? ঘুম সেই জিনিস  যা মানুষের দেহের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এলেমেন্ট। সারাদিনের ক্লান্তি ও মস্তিষ্ককে আরাম দেওয়ার জন্য খুব খুব জরুরী। একটি স্বাভাবিক মানুষের নিয়মিত রেগুলার 6 থেকে 8 ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন হয়।

আসলে সেই কাজের আউটপুট কখনোই ভালো পাওয়া যায় না যেই কাজটি সম্পন্ন ক্লান্তিকর অবস্থায় করা হয়ে থাকে। তাই কাজ যতই থাকুক আপনাকে আপনার টু-ডু লিস্ট ও কার্যক্রম এরকম ভাবে সাজাতে হবে যাতে আপনি একটি পর্যাপ্ত ঘুম দিতে পারেন। মোট কথা হলো রেগুলার পর্যাপ্ত ঘুমের নিশ্চয়তা করুন৷ 

তো এই ছিলো যেকোনো কাজে প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে করনীয় কিছু পদক্ষেপ যা খুবই কার্যকর। আপনি প্রোডাক্টিভিটি সম্পর্কে আরো জানতে বা আরো বেশি কাজ করার ক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর পদ্ধতি গুলো জানতে এই ব্লগের প্রোডাক্টিভিটি ক্যাটাগরির সকল আর্টিকেল গুলো ভালো ভাবে পড়তে পারেন। আশা করি উপকৃত হবেন। 

 

1 thought on “কাজে প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধির ১০ টি উপায় | উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর সহজ কৌশল”

Leave a Comment