কোথায় টাকা ইনভেস্ট করা যায়? অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যম গুলো

কোথায় টাকা ইনভেস্ট করা যায় সেই বিষয়ে চিন্তিত? সঠিক সমাধান বা সাজেশন পাচ্ছেন না কোথাও থেকে? নিশ্চিত থাকুক কারন আপনি এসেছে উপযুক্ত স্থানে যেখানে থেকে জানতে পারবেন অর্থ বিনিয়োগের সঠিক মাধ্যম গুলো সম্পর্কে।

একজন অর্থগত দিক থেকে বুদ্ধিমান মানুষ কখনই নিজের টাকা বেকার বসিয়ে রাখতে চাইবে না। অলস টাকাকে কোথায় না কোথাও বিনিয়োগ করে সেই টাকাকে কাজে লাগিয়ে দিবে আরো টাকা উপর্জান করতে।

ইয়েস, এটাই হলো একজন বুদ্ধিমান লোকের কাজ যে ফাইন্যান্সের ব্যাপার গুলো ভালো ভাবে বুজে। আপনি যদি আপনার পাশেপাশের এমনকি পৃথিবীর সবচেয়ে ধনীদের দিকেও তাকান তবে দেখবেন তারা সব সময় কোথাও না কোথাও নিজের টাকা বিনিয়োগ অবস্থায় রেখে দেয়। 

অলস টাকা কখনই আরো টাকা বয়ে নিয়ে আসতে পারে না, সেটা ক্রমশই কমতে থাকে এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তাই তাদের কোনো না কোনো খাতে ব্যবহার করা উচিৎ। আর আপনি যদি অর্থকে প্রকৃত ভাবে কাজে লাগাতে চান এবং সেগুলো দিয়ে আরো টাকা আয় করতে চান তবে ইনভেস্টমেন্টের থেকে ভালো মাধ্যম আর নেই বললেই চলে।

আপনি এক্ষেত্রে দুই ধরনের কাজ করতে পারেন। প্রথমত নিজের কোনো ব্যবসায়ের কাজে সেই টাকা বিনিয়োগ বা নিজের ব্যবসা দাড় করাতে পারেন। অন্যথায়, অন্য কোনো ব্যবসা বা স্থানে সেই টাকা ইনভেস্ট করতে পারেন। আজকের আর্টিকেলটির মাধ্যমে জানাবো কোথায় টাকা ইনভেস্ট করা যায় সেই সম্পর্কে।

বাংলাদেশের পেক্ষাপটে নিজ ব্যবসা ব্যাতিত অন্য কোথাও বিনিয়োগ করার সর্বোত্তম মাধ্যম গুলো বেশি একটা নেই বললেই চলে। তবুও যে টাকা ইনভেস্ট করার যে মাধ্যম গুলো সচারচর প্রচলিত আছে আমাদের দেশে সেগুলো নিয়েই আলচনা করা হবে।

তাহলে জেনে নেয়া যাক কোথায় টাকা ইনভেস্ট করা যায় বাংলাদেশের পেক্ষাপট অনুযায়ী। এক নজরে দেখে নিন পুরো আর্টিকেলের সূচি যা দ্বারা সচ্ছ একটা ধারনা পাবেন আপনি কি কি জানত পারছেন এই আর্টিকেল দ্বারা।

কোথায় টাকা ইনভেস্ট করা যায়? অর্থ বিনিয়োগ করার মাধ্যম গুলো

তালিকার মধ্যে যে সকল মাধ্যম গুলো দেয়া আছে তা বেশ জনপ্রিয়। যারা প্রতিনিয়ত অর্থ বিনিয়োগ সংক্রান্ত কাজে জরিত তাদের পরামর্শ ও বিভিন্ন রিসার্সের মাধ্যমে সিলেক্ট করা হয়েছে। তাই আপনি যদি সঠিক নিয়মে এই খাত গুলোতে ইনভেস্ট করতে পারেন তবে আপনার অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে বলে মনে করছি। ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্র গুলো হলো:

ফিক্সড ডিপোজিট

ইংরেজি শব্দ Fix Deposit এর বাংলা অর্থ হচ্ছে স্থায়ী আমানত। সাধারণত, লম্বা সময় ধরে নিদিষ্ট পরিমাণের অর্থ নিদিষ্ট সুদের হারে ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করাকেই ফিক্সড ডিপোজিট বলা হয়।

একটি নিদিষ্ট সময় অব্দি নিদিষ্ট পূর্ব নির্ধারিত সুদের হারে এক কালীন জমা দেয়া অর্থকেই ফিক্সড ডিপোজিট বলে গণ্য করা হয়। মূলত এই ধরনের একাউন্টে সাধারণ সঞ্চয় ভিত্তিক একাউন্ট থেকে বেশি সুদ প্রদান করা হয়ে থাকে।

আপনি চাইলে যেকোনো ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলো (NGO) গুলো থেকে ফিক্সড ডিপোজিটের একাউন্ট খুলতে পারেন। ব্যাংক ভিত্তিক সুদের হার পরিবর্তনশীল হতে পারে।

আপনি যদি একটি নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম খুজে থাকেন যেখানে নিশ্চিত রিটার্নস পাওয়া যাবে তাহলে ফিক্সড ডিপোজিট হতে পারে আপনার জন্য সেরা বিনিয়োগের মাধ্যম। কারন এখানে মার্কেটে সুদের হারের উঠানামার উপর কেন্দ্র করে সুদ প্রদান করা হয় না। যেকারনে আপনি যে হারে পূর্বে নির্ধারন করেছিলেন সেই হারেই বিনিয়োগের উপর রিটার্নস পাবেন।

ফিক্সড ডিপোজিটের সুবিধা সমূহ
  • এই বিনিয়োগে রিটার্ন নিশ্চিত
  • যেকোনো সময় ডিপোজিটের মেয়াদ পরিবর্তন করতে পারবেন
  • সুদের হার মাসিক, ত্রৈমাসিক ও পে-আউট অপশনে সিলেক্ট করতে পারবেন
  • থাকছে পুনঃবিনিয়োগের ব্যবস্থা
  • এফডি এর মাধ্যমে সহজেই ঋণ গ্রহন করা যাবে
  • কর মুক্তির জন্য ৫ বছর মেয়াদী ফিক্সড ডিপোজিট বেছে নিতে পারেন
  • প্রয়োজনে সহজেই লিকুয়েট মানিতে রূপান্তর করা যায় তবে মেয়াদপূর্তির পূর্বে অর্থ তোলা যায় না
  • এখানে পাচ্ছেন চক্রবৃদ্ধি হারের সুবিধা ও ঝামেলা বিহীন বিনিয়োগ

সঞ্চয়পত্র

বাংলাদেশ জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে জনগনকে সঞ্চয়ে উৎসাহিত করা, ও ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ক্ষুদ্র সঞ্চয় জাতীয় স্ক্রিমে আহরণ করার উদ্দ্যেশে এবং জনসাধারণের ঝুঁকি মুক্ত ভাবে বিনিয়োগের পথ তৈরি করার নামই সঞ্চয়পত্র।

বর্তমানে দুই ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে যেখানে একটি কেবল বাংলাদেশের নাগরিকরাই গ্রহন করতে পারবে অন্যটি দেশের বাইরে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকরা গ্রহন করতে পারবে। বিভিন্ন মেয়াদ ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র গুলো গ্রহনের মাধ্যমে বেশ সুন্দর ভাবে নিজের অর্থ বিনিয়োগের সুব্যবস্থা পাচ্ছেন যেখানে দেয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ মুনাফা।

অনেকটাই ঝুকিমুক্ত ইনভেস্টমেন্টের অন্যতম বিশ্বস্ত মাধ্যম হলো সঞ্চয়পত্র ক্রয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ সরকারের সমন্বয়ে তৈরি করা সঞ্চয়পত্র গুলোতে দেয়া হয় বিভিন্ন মেয়াদ ভিত্তিক সুদের হার।

সঞ্চয়পত্র নিয়ে বিস্তারিত একটি আর্টিকেল ইতিমধ্যে এই ওয়েবসাইটে রয়েছে যার কারনে অতিরিক্ত কোনো বার্তা এখানে দিচ্ছি না। আপনি বরং নিম্মের আর্টিকেলটিতে In-Deep রিসার্সের উপর বেস করে সাজানো আর্টিকেলটি পড়ে নিন যেখান থেকে সঞ্চয়পত্র সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় জেনে যাবেন এবং বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত হবেন।

 আরো পড়ুন: সঞ্চয়পত্র কি ও বাংলাদেশে সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের নিয়ম  

শেয়ার মার্কেট

যাকে বলা হয় বিনিয়োগের রাজা যেটাই হলো শেয়ার মার্কেট। জী হ্যা, এটি এমন একটি খাত যেখানে কেবল অর্থ থাকলেই চলবে না প্রয়োজন যথেষ্ট পরিমাণের রিসোর্স, শিক্ষা ও অর্থায়নের উপর পুর্নাঙ্গ জ্ঞান। এমন প্রায়ই দেখা যায় যে কেউ শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে অনেক অর্থ উপার্জন করছে অন্যদিকে কেউ নিজের সব হারাচ্ছে।

তাহলে কি শেয়ার বাজার জুয়ার মত কাজ করে? মোটেও না, ওই যে বললাম এখানে প্রয়োজন অর্থের পাশাপাশি যথেষ্ট পরিমাণের জ্ঞান। যারা নিজের মেধাকে কাজে লাগিয়ে উপযুক্ত শেয়ার ক্রয় করতে পারে তাদের জন্য ব্যাপারটি হয় লাভজনক আর যারা পারে না তাদের কাছে লস।

মূলত শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে প্রয়োজন ধৈয্য, জ্ঞান এবং প্রচুর পরিমাণে মার্কেটের সম্পর্কে ধারনা। যদিও শেয়ার বাজারে বাজিমাত করার নিদিষ্ট কোনো ফর্মুলা নেই তবে বিভিন্ন উপায়ে জেনে নিতে পারবেন কোন কোম্পানির শেয়ার কেনা ঠিক আর কোনটা ভুল।

শেয়ার বাজারে দুই ধরনের বিনিয়োগের ক্ষেত্র রয়েছে। এক, প্রাইমারি শেয়ার বাজার এবং দুই, সেকেন্ডারি শেয়ার বাজার। প্রথমটায় হয়ে থাকে ইনিশিয়ায় পাবলিক অফারিং এবং ২য় টায় হয়ে থাকে লোকাল শেয়ার ক্রয় বিক্রয়ের কাজ। শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে জানতে ও কিভাবে শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করতে হয় সেই বিষয়ে ধাপে ধাপে সকল তথ্য পেতে ব্লগের ক্যাটাগরি অপশন ফলো করুন।

মিউচুয়াল ফান্ড

খুব সহজে যদি কোনো ঝামেলা মুক্ত বিনিয়োগ মাধ্যম খুজে থাকেন যেখানে আপনার নিজেকে মাথা খাটাতে হবে না, উক্ত কাজের জন্য। আপনার হয়ে কাজ করবে নিদিষ্ট কিছু ইনভেস্টমেন্ট ব্রোকার। যারা আপনার অর্থকে বাড়িয়ে তোলার জন্য সেটাকে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করে কাঙ্ক্ষিত লভ্যাংস নিয়ে আসবে। আপনি বাংলাদেশ থেকেও এখন বিভিন্ন মিউচুয়াল ফান্ডে অর্থ বিনিয়োগ করতে পারেন।

মিউচুয়াল ফান্ড সম্পর্কে এই ব্লগেই বেশ কিছু আর্টিকেল রয়েছে যা পড়ার মাধ্যমে মিউচুয়াল ফান্ডের পুরো ব্যাপার গুলো আপনি বুজতে পারবেন এবং সহজেই আপনার টাকা এখানে বিনিয়োগ করতে পারবেন। আর্টিকেল গুলো পড়ুন..

গোল্ড বা সোনা 

২০২২ এ এসে আমরা মুদ্রাস্ফিতির ভয়ংকর ব্যাপার গুলো ইতিমধ্যে দেখে ফেলেছি। খুব রিসেন্ট শ্রীলংকার সাথে যা হয়েছে সেসব বিষয়ের সম্পর্কেও আমরা অবগত। আমরা ইতিমধ্যে বুজে গিয়েছি যে টাকা বা মুদ্রার মান যেকোনো সময়ে উঠা নামা করতে পারে। তাছাড়া অর্থের সময় মূল্যের দিক থেকে চিন্তা করলে আজকের ১০০ টাকার তুলনায় আগামী ১০ বছরের পরের ১০০ টাকার মান খুবই কম।

এই পরিস্থিতিতে এটা মোটেও ভালো কোনো কাজ হবে না যে আপনি আপনার টাকা মুদ্রাতেই রেখে দেন অলস ভাবে। অর্থকে যথাযথ ব্যবহারের মধ্যে না রাখলে সেটার মান দিন দিন কমতে থাকবে এটাই স্বাভাবিক, খুবই স্বাভাবিক। তাই এ থেকে বাচতে কোনো না কোনো সেক্টরে অবশ্যই বিনিয়োগ করা উচিৎ।

আপনি যদি কোনো সেক্টরে বিনিয়োগ করার জন্য পর্যাপ্ত মনবল না পেয়ে থাকেন তবে অবশ্যই গোল্ড বা স্বর্ন মজুদের ব্যাপারটি বিবেচনায় আনতে পারেন। আমরা দেখেছি যে একমাত্র গোল্ডের ভ্যালুই কোনো দিন কমে না আর ভবিষৎতেও কমার কোনো সম্ভাবনাই নেই।

আজকে এক ভরি গোল্ডের ভ্যালু বা মূল্য যা হবে আগামী ১০ বছরে তার ভ্যালু অনেক বেশি বেড়ে যাবে। আপনার অর্থ বিনিয়োগের অন্যতম সেটা ও হালাল উপায় হবে যদি আপনি গোল্ড ক্রয় করে রাখেন বা মজুদ করেন। তবে বর্তমানে আপনি খুব সহজেই গোল্ডে বিনিয়োগ করতে পারবেন যেকোনো অর্থে যেকোনো সিচুয়েশনে, যাকে বলা হয় ডিজিটাল গোল্ড বিনিয়োগ।

ডিজিটাল গোল্ড ইনভেস্টমেন্ট হলো সেই ধারনা যেখানে প্রকৃত গোল্ড না কিনেও সেই গোল্ডের মালিকানায় থাকবেন যা পরিচালনা করবে নিদিষ্ট একটি কোম্পানি। ধরা যাক, আপনি যদি আজ ২ গ্রাম গোল্ড ১০,০০০ টাকায় কিনে রাখেন। এবং এক বছর পর সেই ২ গ্রাম গোল্ডের মূল্য ১০,০০০ টাকার বেশি হয়ে যায় তবে যতটুকু বেশি হবে সেটাই আপনার লভ্যাংশ।

ডিজিটাল গোল্ড ইনভেস্টমেন্ট কোথায় ও কিভাবে করবেন সেই বিষয়ে জানুন এখান থেকে 

রিয়েল এস্টেট

ভাবছেন আর কোথায় টাকা ইনভেস্ট করা যায়? আপনাকে তো এখন অব্দি সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্টের খাতের কথাই বলা হয় নি। এবং তা হচ্ছে রিয়েল এস্টেট। প্রশ্ন জাগতে পারে রিয়েল এস্টেট মূলত কি? এখানে ইনভেস্টমেন্টের ব্যাপারটা কেমন, এটা কি লাভজনক?

মূলত মূনাফা লাভের উদ্দেশ্যে রেসিডেনসিয়াল প্রপার্টি, কমার্শিয়াল প্রপার্টি ক্রয় – বিক্রয় সহ যেকোনো জমির ক্রয়, বিক্রয়, ব্যবস্থাপনা, ভাড়া দেয়া বা নেয়া- সবই রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট এর অন্তর্ভুক্ত। এটা খুব স্বাভাবিক জ্ঞান যে বসবাস ভিত্তিক আবাসিক স্থানের চাহিদা কখনই কমার নয়, পাশাপাশি যতই দিন যাচ্ছে এরুপ জায়গার দাম বেড়েই যাচ্ছে।

সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার এই যে, যখন দেশের মুদ্রাস্ফিতির প্রভাব বিস্তার করে তখনও রিয়েল এস্টেট এর ব্যবসার বাজার জমজমাট থাকে। সঠিন জ্ঞান ও অর্থ ঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারলে রিয়েল এস্টেট এর ব্যবসা বা এই কাজে ইনভেস্ট করা হয়ে উঠবে দীর্ঘ মেয়াদি আয়ের উৎস।

আর্টিকেল থেকে যা শিখলেন

যাদের মনে প্রশ্ন ছিলো কোথায় টাকা ইনভেস্ট করা যায় তাদের জন্য এই হলো বেশ কিছু ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্র যেগুলো ইতিমধ্যে দেশের সেরা বিনিয়োগরাকীরা করে আসছে এবং যেগুলো দীর্ঘ মেয়াদি আয়ের ভালো উৎস হয়ে উঠবে। হ্যালো সবাইকে আমি সেলিম মাহামুদ বলছি Salim Speaking ব্লগ থেকে, এখানে আমি প্রতিনিয়ত রিসোর্স ভিত্তিক কন্টেন্ট দিয়ে থাকি বিভিন্ন বিষয়ে। আজকের আলোচনার বিষয় ছিলো বিনিয়োগের মাধ্যম গুলো সম্পর্কে।

প্রতিনিয়ত সঠিক তথ্য সম্পন্ন সেভিংস, ইনভেস্টমেন্ট সহ পারসোনাল ফাইন্যান্সের বাকি বিষয় সম্পর্কে জানতে ও আপডেট থাকতে ফ্রী সাবস্ক্রিপশন গ্রহন করুন ইমেইল সাবমিশনের মাধ্যমে। এতে করে প্রতিটি আপডেট চলে যাবে আপনার মেইলে।

Leave a Comment